General Knowledge selected articles for BCS, Job and Admission preparation.

We have currently 40 General Knowledge Bangladesh Affairs reading Materials for your exclusive preparation.
♥ ১। মাশরাফি বিন মর্তুজা- নড়াইল ♥ ২। ইমরুল কায়েস- মেহেরপুর ♥ ৩। এনামুল হক- কুষ্টিয়া ♥ ৪। সাকিব আল হাসান- মাগুরা ♥ ৫। রুবেল হোসেন- বাগেরহাট ♥ ৬। আব্দুর রাজ্জাক- খুলনা ♥ ৭। সৈয়দ রাসেল- যশোর ♥ ৮। আল-আমিন- ঝিনাইদহ ♥ ৯। জিয়াউর রহমান- খুলনা ♥ ১০। রবিউল ইসলাম- সাতক্ষীরা ♥ ১১। সৌম্য সরকার- সাতক্ষীরা ♥ ১২। মোস্তাফিজুর রহমান- সাতক্ষীরা
মুক্তিযুদ্ধের সময়ে মুক্তিবাহিনীর ফোর্স অধিনায়কগণ।
পাহাড়ে চাষের পদ্ধতিকে বা প্রক্রিয়া কেই আমরা সাধারণতঃ জুম চাষ বলে থাকি । এই পদ্ধতিতে প্রথমে পাহাড়ী ঢালের ঝোপঝাড় কেটে ফেলে রাখা হয় । কাটা ঝোপ-ঝাড় চৈত্র-বৈশাখ মাসের গরমে শুকিয়ে গেলে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ফেলা হয় । এরপর একটু বৃষ্টিতে জমি নরম হয়ে গেলে তাতে ছোট ছোট গর্ত করে ফসলের বীজ বপন করা হয় ।
৩ সেপ্টেম্বর ২০১৪ এর প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী সংবিধানের ৫৫(৬) অনুচ্ছেদের প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন করে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় (Ministry of Road Transport and Bridges) করেন । একই সাথে সড়ক বিভাগ এর নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ (Road Transport and Highways Division) ।      
  ১৯৭১ সালের, ৭ মার্চে রেসকোর্স ময়দানে শেখ মুজিবর রহমান ১৮ মিনিট ধরে ভাষণ দিয়েছিলেন। তিনি তার ভাষণে ৪টি দাবির কথা উল্লেখ করেন এবং প্রচ্ছন্নভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। দাবি সূমহ হল : ১. সামরিক শাসন প্রত্যাহার।
সম্পাদনের তাং১৫-১৯ মার্চ,২০১১মোট জনসংখ্যা-১৪.৪৩ কোটিজনসংখ্যা বৃদ্ধির হার-১.৩৭%জনসংখ্যার ঘনত্ব ( প্রতি বর্গ কিলোমিটার )-১০১৫জনস্বাক্ষরতার হার -৫১.৮%পুরুষ ও নারীর অনুপাত-১০০.৩:১০০মোট উপজাতি ১৫লক্ষ্ ৮৬ হাজার ১৪১ জন(মোট জনসংখ্যার ১.১০%)আয়তন ও জনসংখ্যায় ক্ষুদ্রতম ইউনিয়ন- হাজীপুর (ভোলা)মোট গ্রাম-৮৭,১৯১টিমোট ইউনিয়ন -৪,৫৬২ টি
পাট গবেষণা বোর্ড- মানিকগঞ্জ রাবার গবেষণা বোর্ড- কক্সবাজার তাঁত গবেষণা বোর্ড- নরসিংদী চা গবেষণা কেন্দ্র- শ্রীমঙ্গল, সিলেট ইক্ষু গবেষণা কেন্দ্র- ঈশ্বরদী,পাবনা ডাল গবেষণা কেন্দ্র- ঈশ্বরদী,পাবনা গম গবেষণা কেন্দ্র- দিনাজপুর আম গবেষণা কেন্দ্র- চাঁপাইনবাবগঞ্জ মসলা গবেষণা কেন্দ্র- বগুড়া রেশম গবেষণা কেন্দ্র- রাজশাহী বন গবেষণা কেন্দ্র- চট্টগ্রাম পাহাড়ি কৃষি গবেষণা কেন্দ্র- খাগড়াছড়ি ইলিশ মাছ ও নদীর মাছ গবেষণা কেন্দ্র- চাঁদপুর
বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান (২৯শে অক্টোবর, ১৯৪১—২০শে আগস্ট, ১৯৭১) একজন বাংলাদেশী মুক্তিযোদ্ধা। তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে নিহত হন। বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে চরম সাহসিকতা আর বীরত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ যে সাতজন বীরকে সর্বোচ্চ সম্মান বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবে ভূষিত করা হয় ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান তাদের মধ্যে অন্যতম।
জন্ম : জুন ১৯৩৫ । জন্মস্থান : বাগচাপড়া,দেউটি, সোনাইমুড়ী, নোয়াখালী । পিতা : মোহাম্মদ আজহার পাটোয়ারি । মাতা : জোলেখা খাতুন । কর্মস্থল : নৌবাহিনী (যোগদান ১৯৫৩) । শহীদ হন : খুলনার রূপসা উপজেলার বাগমারা গ্রামে রূপসা নদীতে নৌবাহিনীর জাহাজ পলাশ নিয়ে খুলনার উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার পর পাকিস্তান বিমানবাহিনীর নিক্ষিপ্ত গোলায় । সমাহীত করা হয় : খুলনার রূপসা উপজেলার বাগমারা গ্রামে রূপসা নদীর তীরে । যে সেক্টরে যুদ্ধ করতেন : ১০ নং সেক্টরে । মৃত্য : ১০ ডিসেম্বর ১৯৭১ ।
ক্যাপ্টেন মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীর (জন্ম: ৭ মার্চ, ১৯৪৯ - মৃত্যু: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭১) বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা। যুদ্ধে অসামান্য বীরত্বের জন্য তাঁকে বীরশ্রেষ্ঠ উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
মুন্সি আব্দুর রউফ (১৯৪৩ - এপ্রিল ৮, ১৯৭১) বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা। যুদ্ধে অসামান্য বীরত্বের জন্য তাঁকে বীরশ্রেষ্ঠ উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
  নূর মোহাম্মদ শেখ (ফেব্রুয়ারি ২৬, ১৯৩৬ - সেপ্টেম্বর ৫, ১৯৭১) বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা। যুদ্ধে অসামান্য বীরত্বের জন্য তাঁকে বীরশ্রেষ্ঠ উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
  বিভাগের নাম : জেলার নাম ঢাকা  : মাদারীপুর, শরিয়তপুর ও মানিকগঞ্জ চট্টগ্রাম : কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি বরিশাল : ভোলা, বরিশাল, পটুয়াখারী, বরগুনা, ঝালুকাঠী ও পিরোজপুর
অবস্থানঃ জয়দেবপুর চৌরাস্তার সড়কদ্বীপে, গাজীপুর । ১৯৭৩ সালে মুক্তিযুদ্ধের প্রেরণায় নির্মিত প্রথম ভাস্কর্য।  ভাস্কর আব্দুর রাজ্জাক এটি নির্মাণ করেন । ভিত বা বেদিসহ এর উচ্চতা ৪২ফুট ২২ ইঞ্চি । ২৪ ফুট ৫ ইঞ্চি বেদির উপর মূল ভাস্কর্যটি ১৭ ফুট ৯ ইঞ্চি উচু । বৈশিষ্ট্যঃ গ্রামীণ পোষাক পরা উদোম গায়ে পেশীবহুল এ ভাস্কর্যের ডান হাতে গ্রেনেড আর বাম হাতে রাইফেল ।
১৭৯৩ সালে লর্ড কর্নওয়ালিস প্রশাসন কর্তৃক ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি সরকার ও বাংলার জমি মালিকদের (সকল শ্রেণীর জমিদার ও স্বতন্ত্র তালুকদারদের) মধ্যে সম্পাদিত একটি যুগান্তকারী চুক্তি হলো চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত । এ চুক্তির আওতায় জমিদার  ঔপনিবেশিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় ভূ-সম্পত্তির নিরঙ্কুশ স্বত্বাধিকারী হন ।  ১৯৪৮ সালের ১৬ ডিসেম্বর পূর্ববঙ্গীয় জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব বিল পাসের মাধ্যমে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রথার পরিসমাপ্তি ঘটে ।