বেতার

radio

যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত তড়িৎ-চুম্বকীয় তরঙ্গের ৩ কিলোহার্জ থেকে ৩০০ গিগাহার্জ কম্পাঙ্ক বিশিষ্ট অংশটিকে বলে বেতার (Radio) তরঙ্গ। উনিশ শতকের শেষভাগে আবিষ্কারের পর এর এতটাই উন্নতি হয়েছে যে, এটি আধুনিক জীবনের প্রধান যোগাযোগ এবং বিনোদনব্যবস্থায় পরিণত হয়েছে। মোবাইল ফোন এই বেতার তরঙ্গ ব্যবহার করেই কাজ করে। এফএম ব্যান্ড রেডিও বর্তমান সময়ে বিপুল জনপ্রিয়তা পেয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন প্রয়োজনে- যেমন, দূর্যোগ মোকাবিলা এবং যুদ্ধক্ষেত্রে যোগাযোগের জন্য বেতার ব্যবহার করা হয়।

বেতারযন্ত্র: বেতারযন্ত্রে গ্রাহক (Receiver) নামের একটি অংশ থাকে। এটি অ্যান্টেনার সাহায্যে ছড়িয়ে পড়া বেতার তরঙ্গ গ্রহণ করে তাকে বিদ্যুৎশক্তিতে রূপান্তরিত করে। এই বিদ্যুৎশক্তিকে অ্যামপ্লিফায়ার ও ডায়াফ্রামের মাধ্যমে আবার শব্দতরঙ্গে পরিবর্তন করা হয়। বেতার কেন্দ্রে শব্দকে বৈদ্যুতিক সংকেতে রূপান্তরিত করার জন্য মাইক্রোফন ব্যবহার করা হয়। ফলে আমরা বেতারকেন্দ্র থেকে প্রচারিত কথা শুনতে পাই। বিদ্যুৎ দিয়ে বেতার যন্ত্র চালানো হয়। বহনযোগ্য বেতারের জন্য ব্যাটারি থেকে এবং স্থির বেতারযন্ত্রের জন্য বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। বিভিন্ন রেডিও স্টেশনের জন্য বিভিন্ন রেডিও তরঙ্গ নির্দিষ্ট করা থাকে। টিউনিং বাটনের সাহায্যে নির্দিষ্ট বেতারকেন্দ্রের সম্প্রচার শোনা যায়।