বিভিন্ন ধরনের কম্পিউটারের কাজ, আকৃতি ও কার্যদক্ষতা

computer

বিভিন্ন ধরনের কম্পিউটার:
১। ডিজিট্যাল- বাইনারী সংখ্যা ব্যবহার করে সমস্যার সমাধান করে। গণনা করে- তথ্যকে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশে বিভক্ত করে প্রবাহ দেয়া হয়। এটি প্রথম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে উদ্ভাবিত হয়।
২। এনালগ- পরিমাপ সংক্রান্ত কাজ করে। এতে তথ্যের অবিরাম প্রবাহ দরকার হয়।
৩। হাইব্রিড- উপরিউক্ত দুই ধরনের কম্পিউটারের সমন্বয় হল হাইব্রিড কম্পিউটার। পরমাণু শক্তি উৎপাদন প্লান্ট, জঙ্গী বিমান, মহাকাশযান, ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ ইত্যাদি ক্ষেত্রে হাইব্রিড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।

পামটপ : পামটপ এক ধরনের ছোট কম্পিউটার। হাতের তালুতে নিয়ে কাজ করা যায়। ওজন মাত্র ১৭০ গ্রাম। এর অন্য নাম হান্ডেল্ড পার্সোনাল কম্পিউটার (HPC) ও পার্সোনাল ডিজিটাল অ্যাসিস্টেন্ট(PDA)।
ল্যাপটপ : এটি ছোট মাপের ব্রিফকেসের মত মাইক্রো কম্পিউটার। এর অপর নাম নোটবুক/পাওয়ার বুক। এটি প্রথম তৈরি করে ‘এপসন’ কোম্পানি-১৯৮১ সালে।
ডেস্কটপ কম্পিউটার : এটি টেবিলের উপর রেখে কাজ করা যায়।
আকৃতি ও কার্যদক্ষতার উপর ভিত্তি করে কম্পিউটারকে চার ভাগে ভাগ করা যায়:
১.    মাইক্রো কম্পিউটার : মাইক্রোপ্রসেসর দিয়ে তৈরি ক্ষুদ্রাকার কম্পিউটার। একজন ব্যবহারকারী একটি কম্পিউটার ব্যবহার করে। মাইক্রো কম্পিউটার বিভিন্ন ধরনের হতে পারে- ডেক্সটপ, ল্যাপটপ, নোটবুক, পামটপ, পিডিএ ওয়ার্কস্টেশন ইত্যাদি। দুটি মাইক্রো কম্পিউটার হলো IBM PC, APPLE POWER PC.
২.    মিনি কম্পিউটার : মাইক্রো কম্পিউটার অপেক্ষা বড় কম্পিউটার। এ কম্পিউটারে কিছু ছোট কম্পিউটার যুক্ত করে এক সঙ্গে কিছু লোক কাজ করতে পারে। ক্লিনিক, হাসপাতাল,বাড় গার্মেন্টস, বহুজাতিক কোম্পানি প্রভৃতিতে এটি ব্যবহৃত হয়। এতে একসাথে কাজ করে ১৪ জন+১৪টি টার্মিনাল। মিনি কম্পিউটারের উদাহরণ হলো- PDP11,NOVA 3,IBM5/36
৩.    মেইন ফ্রেম কম্পিউটার : এটি এমন একটি বড় কম্পিউটার যার সঙ্গে অনেকগুলো ছোট কম্পিউটার যুক্ত করে এক সঙ্গে অনেকে কাজ করতে পারে। ব্যাংক,বীমা, অর্থলগ্নী প্রতিষ্ঠান, গবেষণা প্রতিষ্ঠানে তথ্য আদান-প্রদান, সংরক্ষণ এবং জটিল ও সূক্ষ উপাত্ত বিশ্লেষণ এবং বৈজ্ঞানিক কর্মতৎপরতা পরিচালনার জন্য এই কম্পিউটার ব্যবহার করা যায়। মেইনফ্রেম কম্পিউটারের উদাহরণ হলো- IBM 6120,IBM 4143, NCRN 8370.
৪.    সুপার কম্পিউটার : অত্যন্ত শক্তিশালী ও দ্রুতগতিতে কাজ করতে সক্ষম এ কম্পিউটার। বৈজ্ঞানিক গবেষণা, জঙ্গী বিমান, এবং ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ, মহাকারশ গবেষণা ইত্যাদি কাজে ব্যবহৃত হয়। এতে একই সাথে ২০০ টার্মিনাল লাগানো যায় এবং ২০০ জন User কাজ করতে পারে। বর্তমানে এর দাম প্রায় ৬০ মিলিয়ন ডলার। কয়েকটি সুপার কম্পিউটারের উদাহরণ হলো- KRAY-1,CRAYX-MP,CYBER-205.