কম্পিউটারের প্রজন্ম বা জেনারেশন

Computer

কম্পিউটার জেনারেশন বা প্রজন্ম বলতে এর প্রযুক্তিগত বিবর্তনকেই বোঝানো হয়। নিম্নে এর জেনারেশনগুলো উল্লেখ করা হলো :
** কম্পিউটার জেনারেশন কে পাঁচটি ভাগে ভাগ করা যায়-
১.    প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার ;(১৯৪০-১৯৫৮)
বৈশিষ্ট : আকারে খুবই বড়। বায়ুশূন্য টিউবের ব্যবহার।সীমিত তথ্য ধারন ক্ষমতা। টিউবের উত্তাপ সমস্যা। প্রথমে মেশিন ভাষা, তারপর এ্যাসেম্বলী ভাষার ব্যবহার। উদাহরণ- ABC,ENIAC,MARK 1,2,3, etc
২.    দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার ;(১৯৫৮-১৯৬৫)
বৈশিষ্ট : আকৃতির সংকোচন। ট্রানজিস্টারের ব্যবহার। প্রধান স্মৃতি হিসেবে চৌম্বক কোর স্মৃতি ব্যবহার। তাপ সমস্যার অবসান। উদাহরণ- IBM 1400,IBM 1600, IBM 1620 etc.
৩.    তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার ;(১৯৬৫-১৯৭১)
বৈশিষ্ট : একিভূত বর্তনীর ব্যবহার। অর্ধপরিবাহী স্মৃতির ব্যবহার।(যেমন- RAM,ROM)। উচ্চতর ভাষার ব্যাপক ব্যবহার। উদাহরণ- IBM 360,IBM 370, etc.
৪.    ৪র্থ প্রজন্মের কম্পিউটার ;(১৯৭১-১৯৯৫)
বৈশিষ্ট : মাইক্রো প্রসেসর নামক ওঈএর ব্যবহার তথ্য ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি। প্যাকেজ  প্রোগ্রামের ব্যবহার মাইক্রো কম্পিউটারের উদ্ভব। IBM 3033,IBM 4341, etc.
৫.    ৫ম ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কম্পিউটার ;(১৯৯৫)
বৈশিষ্ট : তথ্য ধারণ ক্ষমতার ব্যাপক উন্নতি। VLSI এর ব্যবহার SOFTWARE এর উন্নতি। শ্রবণযোগ্য শব্দ দিয়ে কম্পিউটারের সাথে সংযোগ। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা AI এর  ব্যবহার। ভবিষ্যতে লজিক সার্কিটগুলোতে ফাইবার অফটিক CABLE ব্যবহার করা যেতে পারে।