Information Technology selected articles for BCS, Job and Admission preparation.

We have currently 29 Information Technology reading Materials for your exclusive preparation.
ডেটা ও ইনফরমেশনের মধ্যে পার্থক্য Datum শব্দের বহুবচন হল ডেটা যার অর্থ Fact,কোন ধারণা(Idea), বস্তু (object), শর্ত (condition), অবস্থা(situation) ইত্যাদির ফ্যাক্ট, চিত্র বা বর্ণনা ডেটার অন্তর্ভুক্ত। অন্যদিকে, ইনফরমেশন বা তথ্য মানে সুশ্খৃলভাবে সাজানো ডাটা যা সহজবোধ্য, কার্যকর ও ব্যবহারযোগ্য। Web Browsing সফট্ওয়্যারে ব্যবহৃত বিভিন্ন শব্দ http : hyper text transfer protocol. URL : Uniform Resource Locator. Web Page : সার্ভারে রাখা ফাইল। Home Page : কোন প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির নিজস্ব Search : কোন কিছু খোজাই Book Mark : Book Mark হচ্ছে একটি Web Page এর লিষ্ট Reload/Refresh : যে Web Page এর ডেটা অনবরত পরিবর্তন হয়, সে সকল Web Page পড়ার সময় মাঝে কোন পরিবর্তন হয়েছে কিনা তা জানার কমান্ড। Stop : ডাউনলোড বন্ধ করার কমান্ড।
IPS হচ্ছে , Instant Power System যা মূলত Power Storage হিসেবে কাজ করে থাকে। IPS এমন একটি ডিভাইস যা বৈদ্যুতিক পাওয়ার রিজার্ভ করে এবং পরবর্তীতে Main লাইন বা বিদ্যুৎ সরবরাহের বন্ধে Back Up দেয়। Back Up এর ন্যায় IPS বৈদ্যুতিক সরবরাহ বন্ধের সাথে সাথে বিদ্যুৎ সরবরাহ দিতে পারে না। 1/10 Sec পরে সরবরাহ Automatically প্রদান করে থাকে। UPS অল্প সময়ের জন্য Back Up দিয়ে থাকে কিন্তু UPS এর তুলনায় IPS বহুগুণ Back Up দিয়ে থাকে। তাই IPS বিভিন্ন বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি চালনায় বেশি জনপ্রিয়।
UPS এর পূর্ণ রূপ হচ্ছে Uninterputed Power Supply। এটি একটি বিদ্যুৎ সমন্বয়কারী যন্ত্র। UPS হলো এক বিশেষ ধরনের যন্ত্র যা কিছু সময়ের জন্য বৈদ্যুতিক শক্তি সঞ্চিত রাখতে পারে। এই যন্ত্রে সরাসরি বৈদ্যুতিক লাইন-এর সংযোগ দেয়া থাকে এবং এর নির্গমন লাইনের সাথে বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির সংযোগ দেয়া থকে। সাধারণভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহের সময় এর মূল কোষে/ব্যাটারিতে বৈদ্যুতিক শক্তি সঞ্চিত হয়। হঠাৎ করে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে UPS থেকে দুই মিলি সেকেন্ড সময়ের মধ্যে সঞ্চিত বৈদ্যুতিক শক্তি সরবরাহ শুরু করে। এর ফলে ব্যবহারকারী বিদ্যুৎ বিভ্রাটের তাৎক্ষণিক প্রভাব এড়াতে পারেন, যাতে মূল্যবান ডাটা ও সম্পদ রক্ষা করা সম্ভব হয়।
বর্তমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অসাধারণ এক সৃষ্টি রোবট(Robot)। রোবট নামটি চেক শব্দ Robota থেকে এসেছে। এর অর্থ হলো বাধ্যতামূলক শ্রম । যেসব কাজে মানুষ সমস্যা বোধ করে, সেখানে শ্রমের বিকল্প হিসেবে ব্যবহারের মধ্য দিয়েই রোবটের সূচনা। অনেকে একে বলেন কৃত্রিম মানুষ। তবে বিজ্ঞানের ভাষায়, রোবট হলো কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত এক ধরনের যন্ত্র, যা প্রোগ্রামিং- এর মাধ্যমে নড়াচড়া , হিসাব-নিকাশ ইত্যাদি জটিল কাজ করতে পারে। রোবট খুব সূক্ষ্ন ও জটিল কাজ মানুষের চেয়ে অনেক দ্রুত করতে পারে। বর্তমানে শিল্পকারখানা, গবেষণা, দৈহিক শ্রমনির্ভর ভারী কাজ, মহাকাশ গবেষণা, চলচ্চিত্র ইত্যাদি ক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে রোবটের ব্যবহার শুরু হয়েছে। বিজ্ঞানীদের ধারণা, আগামী দিনে রোবটকে দিয়ে আরও বেশি জটিল ও কঠিন কাজ করানো সম্ভব হবে।
যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত তড়িৎ-চুম্বকীয় তরঙ্গের ৩ কিলোহার্জ থেকে ৩০০ গিগাহার্জ কম্পাঙ্ক বিশিষ্ট অংশটিকে বলে বেতার (Radio) তরঙ্গ। উনিশ শতকের শেষভাগে আবিষ্কারের পর এর এতটাই উন্নতি হয়েছে যে, এটি আধুনিক জীবনের প্রধান যোগাযোগ এবং বিনোদনব্যবস্থায় পরিণত হয়েছে। মোবাইল ফোন এই বেতার তরঙ্গ ব্যবহার করেই কাজ করে। এফএম ব্যান্ড রেডিও বর্তমান সময়ে বিপুল জনপ্রিয়তা পেয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন প্রয়োজনে- যেমন, দূর্যোগ মোকাবিলা এবং যুদ্ধক্ষেত্রে যোগাযোগের জন্য বেতার ব্যবহার করা হয়।
programing language ১৯৪৫ সাল থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত কয়েকশত প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ বা ভাষা আবিষ্কৃত হয়েছে। এ সকল ভাষাকে বৈশিষ্ট অনুযায়ী পাঁচটি স্তর বা প্রজন্মে ভাগ করা যায়। যথা : প্রথম প্রজন্ম বা ফার্ষ্ট জেনারেশন ভাষা (১৯৪৫) : মেশিন ভাষা। দ্বিতীয় প্রজন্ম বা সেকেন্ড জেনারেশন ভাষা (১৯৫০) : অ্যাসেম্বলী ভাষা। তৃতিয় প্রজন্ম বা থার্ড জেনারেশন ভাষা(১৯৬০) : উচ্চতর বা হাই লেভেল ভাষা। চতুর্থ প্রজন্ম বা ফোর্থ জেনারেশন ভাষা(১৯৭০) : অতি উচ্চতর বা ভেরি হাই লেভেল ভাষা। পঞ্চম প্রজন্ম বা ফিফথ জেনারেশন ভাষা(১৯৮০) : স্বাভাবিক বা ন্যাচারাল ভাষা।
বিভিন্ন ধরনের কম্পিউটার: ১। ডিজিট্যাল- বাইনারী সংখ্যা ব্যবহার করে সমস্যার সমাধান করে। গণনা করে- তথ্যকে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশে বিভক্ত করে প্রবাহ দেয়া হয়। এটি প্রথম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে উদ্ভাবিত হয়। ২। এনালগ- পরিমাপ সংক্রান্ত কাজ করে। এতে তথ্যের অবিরাম প্রবাহ দরকার হয়। ৩। হাইব্রিড- উপরিউক্ত দুই ধরনের কম্পিউটারের সমন্বয় হল হাইব্রিড কম্পিউটার। পরমাণু শক্তি উৎপাদন প্লান্ট, জঙ্গী বিমান, মহাকাশযান, ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ ইত্যাদি ক্ষেত্রে হাইব্রিড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।
OMR –এর পূর্ণরুপ হচ্ছে Optical Mark Reader এটি এমন একটি যন্ত্র বা পেন্সিল বা কালির দাগ বুঝতে পারে। পেন্সিলের দাগ বোঝা যায় পেন্সিলের সীসের উপাদান গ্রাফাইটের বৈদ্যুতিক পরিবাহিতা বিচার করে। বিশেষ ব্যবস্থার সাহায্যে এই দাগগুলো তড়িৎ প্রবাহের পরিবর্তন ঘটায়, যার ফলে কম্পিউটার দাগের অস্তিত্ব বুঝতে পারে। সাধারণ নৈব্যক্তিক পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়ন, জনমত জরিপ, আদমশুমারী ইত্যাদি ক্ষেত্রে এ যন্ত্র ব্যবহৃত হয়ে থাকে। যেমন- SSC পরীক্ষায় MCQ মূল্যায়নে OMR পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
হার্ডওয়্যার : কোন কম্পিউটার ব্যবস্থায় সকল ভৌত যন্ত্রপাতি ও ডিভাইস, কী বোর্ড, প্রিন্টার, মনিটর ইত্যাদিকে একত্রে বলে হার্ডওয়্যার বা যান্ত্রিক সরঞ্জাম। হার্ডওয়্যার হাত দিয়ে স্পর্শ করা যায়। এটি তিনভাগে বিভক্ত- ১. ইন্পুট : প্রোগ্রাম বা ডাটা গ্রহণকারী কম্পিউটারের অংশ। ২. সিপিইউ : কম্পিউটারের সকল কার্যক্রম । সিপিইউ আবার তিনভাগে বিভক্ত-গাণিতিক যুক্তি একক, নিয়ন্ত্রন ইউনিট, স্মৃতি। ৩. আউটপুট : প্রক্রিয়াকরণের পর ফলাফল পাওয়ার অংশ।
কম্পিউটার ভাইরাস এক ধরনের বিপজ্জনক ও অনিষ্টকর প্রোগ্রাম। এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্বাহ, সংক্রমন ও সংখ্যা বৃদ্ধি করে। ১৯৮৩ সালে Fred Cohen সর্বপ্রথম কম্পিউটার ভাইরাস সম্পর্কে অবিহত হন এবং এর ব্যাখ্যা দেন। VIRUS শব্দের পূর্ণ অভিব্যক্তি Vital Information Resources Under Seize কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ভাইরাস হল- AIDS,Bye Bye, Bad Boy,Cindrella, CIH, ILove You, Kurnikova এটি এমন একটি সফটওয়্যার প্রোগ্রামিং বা যা কম্পিউটারে সংরক্ষিত ফাইল ও ডিস্ক এর আভ্যন্তরীণ পদ্ধতিকে নষ্ট করে দেয়। ফ্লপি ডিস্ক বা ইন্টারনেটের মাধ্যমে এটি ছড়ায়।
উচ্চ প্রতিসারক পদার্থ দ্বারা তৈরি নমনীয় বস্তুকে অপটিক্যাল ফাইবার বলে। এটি একসঙ্গে বিভিন্ন ঘনত্বের স্বচ্ছ কাচনির্মিত সরু নমনীয় তারবিশেষ। বর্তমানে বিশেষ ধরনের প্লাষ্টিক দ্বারাও অপটিক্যাল ফাইবার তৈরি করা হয়ে থাকে। আলো বহনের কাজে এটি ব্যবহার করা হয়। আলোর পূর্ণ আভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ধর্মকে কাজে লাগিয়ে অপটিক্যাল ফাইবার তৈরি করা হয়। যখন আলোকরশ্মি কাচ তন্তুও এক প্রান্ত দিয়ে প্রবেশ কওে তখন তন্তুর দেয়াল বরাবর এর পূর্ণ আভ্যান্তরীণ প্রতিফলন ঘটে, যতক্ষণ না অপর প্রান্ত দিয়ে নির্গত হয়। এভাবে আলোকরশ্মি দ-ের সম্পূর্ণ দৈর্ঘ্য অতিক্রম করে। তরঙ্গকে দ্রুত ও বিকৃতি ছাড়া প্রেরণের জন্য এটি ব্যবহার করা হয়। অত্যন্ত দ্রুত আলোর গতিতে চলে বলে ডাটা স্থানান্তরের জন্য বর্তমানে টেলিযোগাযোগ প্রযুক্তিতে অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহার করা হয়।
কম্পিউটার জেনারেশন বা প্রজন্ম বলতে এর প্রযুক্তিগত বিবর্তনকেই বোঝানো হয়। নিম্নে এর জেনারেশনগুলো উল্লেখ করা হলো : ** কম্পিউটার জেনারেশন কে পাঁচটি ভাগে ভাগ করা যায়- ১. প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার ;(১৯৪০-১৯৫৮) বৈশিষ্ট : আকারে খুবই বড়। বায়ুশূন্য টিউবের ব্যবহার।সীমিত তথ্য ধারন ক্ষমতা। টিউবের উত্তাপ সমস্যা। প্রথমে মেশিন ভাষা, তারপর এ্যাসেম্বলী ভাষার ব্যবহার। উদাহরণ- ABC,ENIAC,MARK 1,2,3, etc ২. দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার ;(১৯৫৮-১৯৬৫) বৈশিষ্ট : আকৃতির সংকোচন। ট্রানজিস্টারের ব্যবহার। প্রধান স্মৃতি হিসেবে চৌম্বক কোর স্মৃতি ব্যবহার। তাপ সমস্যার অবসান। উদাহরণ- IBM 1400,IBM 1600, IBM 1620 etc.
প্রোগ্রামের ভাষা কম্পিউটার দিয়ে সহজে কোন সমস্যা সমাধানের জন্য কম্পিউটারকে তার নিজস্ব বোধগম্য ভাষায় নির্দেশ প্রদান করতে হয়। কম্পিউটারের নিজস্ব ও বোধগম্য ভাষায় নির্দেশ প্রদানের জন্য নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী শব্দ, বর্ণ, সংকেত ইত্যাদির সুনির্দিষ্ট বিন্যাস হচ্ছে প্রোগ্রাম। প্রোগামে ব্যবহৃত বর্ণ, শব্দ, সংকেত ইত্যাদি নির্দিষ্ট গঠনে তৈরি হয় প্রোগ্রামের ভাষা।
মাল্টিমিডিয়া শব্দের শাব্দিক অর্থ হল ‘বহুমাধ্যম’। কম্পিউটারের ক্ষেত্রে মাল্টিমিডিয়া এই বহুমাধ্যমকেই বুঝায়। কম্পিউটারের সাথে মাল্টিমিডিয়ার সংযোগ করা হলে বর্ণ বা লেখা, গ্রাফিক্স, শ্রবণযোগ্য শব্দ, ভিডিও ও ইন্টারেক্টিভ কমপিউটিং ইত্যাদি মাধ্যমগুলো কম্পিউটারকে করে সুর, শব্দ, ছবি ও ভিডিওর আকর্ষণীয় ভুবন। টিভি, কম্প্উিটার, টেলিফোন এবং আরো কিছু উন্নত প্রযুক্তির সমন্বয়ে একাধিক মিডিয়া যেমন- গ্রাফিক্স, টেক্সট এবং শব্দকে একত্রে ব্যবহার করে গঠিত সমন্বিত ব্যবস্থাকে মাল্টিমিডিয়া সিস্টেম বলে।

Pages