Information Technology selected articles for BCS, Job and Admission preparation.

We have currently 29 Information Technology reading Materials for your exclusive preparation.
ইন্টারনেট সার্ভিস আজ বিশ্বব্যাপী যোগাযোগের ধারণাকে পাল্টে দিয়েছে। ইন্টারনেটের সুবিধাসমূহ নিম্নে আলোচনা করা হইল; ১.    বিশাল তথ্য সম্ভার : ইন্টারনেট তথ্যেরও একটি বিশাল ভান্ডার। ইন্টারনেট দিয়ে পৃথিবীব্যাপী ছড়ান-ছিটান অসংখ্য অন-লাইন ডেটাবেস হতে নানারকম তথ্য আহরণ সম্ভব।
স্যাটেলাইট মানে কৃত্রিম উপগ্রহ। স্যাটেলাইট পৃথিবীপৃষ্ঠ থেকে উচুতে স্থাপন করে নিয়ন্ত্রক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। তবে স্যাটেলাইট বিশ্বব্যাপী যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আমূল পাল্টে দিয়েছে।ব্যবহার :১.    স্যাটেলাইটের মাধ্যমে মহাকাশ পর্যবেক্ষণ করা হয়।২.    স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ডেটা টেক্সট এবং ভিজ্যুয়ালাইজড মাধ্যমে মুহূর্তেই বিশ্বের একপ্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্তে প্রেরণ করা যায়।
অপটিক্যাল ফাইবার হল ডাই-ইলেকট্রিক পদার্থ দিয়ে তৈরি এক ধরনের আঁশ-যা আলো নিবন্ধকরণ ও পরিবহনে সক্ষম। ভিন্ন প্রতিসরাংকের এই ধরনের ডাই-ইলেকট্রিক দিয়ে  অপটিক্যাল ফাইবার গঠিত।
যে কোন তথ্য ধারণ করার জন্য ধারক (যেমন: কাগজ, বই, পত্রিকা ইত্যাদি) প্রয়োজন। ইন্টারনেটে বা ভার্চুয়াল জগতে যে ধারকে তথ্য জমা থাকে, তাকে বলা হয় ওয়েব পেইজ (Web page)। ইন্টারনেটে কোটি কোটি ওয়েব পেইজ রয়েছে। প্রোগ্রাম লিখে এই ওয়েব পেইজ তৈরি করা হয়। ওয়েব পেইজে তথ্য খোঁজার জন্য আছে “সার্চ ইঞ্জিন” (Search Engine)। এর সাহায্যে যেকোন বিষয়ে তথ্য খুঁজে পাওয়া সম্ভব। গুগল(Google) এবং ইয়াহু (Yahoo) বিখ্যাত দুটি সার্চ ইঞ্জিন।
কম্পিউটারে বসে যে সমস্ত কাজ করা হয় এগুলি হার্ডওয়্যারের যে অংশের মাধ্যমে সম্পাদন হয়ে থাকে তাহাকে System Unit বলে। ইহাই মুল কম্পিউটার।একটি ক্যাবিনেট বা ক্যাসিং এ সিষ্টেম ইউনিট এর সমস্ত যন্ত্রাংশ গুলি সাজানো থাকে। সিষ্টেশ ইউনিট কে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে যেমনঃ1) Control Unit.2) Arithmetic Logic Unit3) Memory.
  একটি নির্দিষ্ট পরিসরে এক ইলেট্রনিক্স ডিভাইস হতে অন্য ডিভাইস এ তথ্য আদান প্রদানের জন্য অত্যন্ত জনপ্রিয় মাধ্যম হচ্ছে Blue Tooth যে কোন ইলেট্রোনিক্স যন্ত্রের সাথে সংযোগ করে দিলে একটি নির্দিষ্ট এলাকা যুড়ে নেটওর্য়ক টাওয়ারে পরিনত হয় এবং এই নেটওয়র্ক টাওয়ারের আওতায় অন্য যে কোন ডিভাইস আসা মাত্র সংযোগ পেয়ে যায়। এই ভাবে সংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে এক ডিভাইস হতে অন্য ডিভাইস এ তথ্য আদান প্রদান করা যায়।
♦ এটি কম্পিউটারের ইন্সট্রাকশনগুলোর নির্বাহ (Execution) কাজ করার জন্য মাইক্রোঅপারেশনগুলো পালন করে। ♦এটি কম্পিউটারের গাণিতিক ও যুক্তিমূলক কাজ বা সিদ্ধান্তমূলক কাজ করে।
♦ OCR এর পূর্ণরূপ হচ্ছে -Optical Character Rceognition. ♦ OCR শুধু দাগই বোঝে না, বিভিন্ন রঙের পার্থক্য বোঝে। ♦ OCR কোন বর্ণ পড়ার সময় সেই রর্ণে গঠন অনুযায়ী কতগুলো বৈদ্যুতিক সংকেত সৃষ্টি করে। OCR একটি ইনপুট ডিভাইস। ♦ চিঠির পিন কোড, ইলেকট্রিক বিল, ইন্স্যুরেন্স প্রিমিয়াম নোটিস ইত্যাদি পড়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়। ♦ মূলত! ইংরেজী লেখাকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কম্পিউটারের ভাষায় পরিবর্তনের জন্য সবচেয়ে বেশী ব্যবহৃত হয় ।
♦ মাউস একটি ইনপুট ডিভাইস। ♦ এটি দেখতে অনেকটা ইঁদুরের মত। এজন্য এর মাউস নামকরণ করা হয়েছে। ♦ ইঁদুরের লেজের মত একটি তার দিয়ে এটি কম্পিউটারের সঙ্গে যুক্ত থাকে। ♦ মাউসে বসানো বোতামে টিপে কম্পিউটার নিয়ন্ত্রণ করা যায়। ♦ মাউসের তিনটি বোতাম থাকে: রাইট, লেফট ও স্ক্রলবার। ♦ মাউস দিয়ে ক্লীক, ড্রাগ ও সিলেক্ট করা যায়।
♦ বর্ণ, সংখ্যা, চিহ্ন ইত্যাদি কী বা বোতাম বিশিষ্ট যন্ত্র হল কী-বোর্ড। ♦ কী-বোর্ড একটি ইনপুট ডিভাইস। ♦ কী-বোর্ড এর উপরে অনেকগুলো ফাংশন কী (F1-F12) থাকে। ♦ কী-বোর্ডে কী আট ধরনের : কার্সর, টাইপিং কী, টেক্সট কী, ফাংশন কী, স্পেশাল কী, নিউমেরিক কী, ক্যারেক্টার কী এরং স্পেসবার কী। ♦ উইন্ডোজ কী-বোর্ডে সর্বমোট কী এর সংখ্যা ১০৪ টি ।

Pages