Science selected articles for BCS, Job and Admission preparation.

We have currently 68 Science reading Materials for your exclusive preparation.
১৯০৮ সালে জার্মান রসায়নবিদ ফিট্রজ হেবার (জন্ম-১৮৬৮, মৃত্যু-১৯৩৪) পাশের যন্ত্র ব্যবহার করে প্রথম অ্যামেনিয়া প্রস্তুত করেন এবং এর পাঁচ বছর পর কার্ল বোস(জন্ম-১৮৭৪, মৃত্যু-১৯৪০) অ্যামোনিয়ার শিল্পোৎপাদন পদ্ধতি আবিষ্কার করেন। তিনি উচ্চচাপ  ও তাপমাত্রায় অ্যামোনিয়া প্রস্তুতির রিঅ্যাক্টর তৈরি করেন। বোসও ছিলেন একজন জার্মান রসায়নবিদ। বর্তমানে হেবার-বোস পদ্ধতিতে অ্যামোনিয়ার শিল্পোৎপাদন করা হয়।
যে প্রকিয়ায় একাধিক হালকা নিউক্লিয়াস একত্রিত হয়ে অপেক্ষাকৃত ভারী নিউক্লিয়াস গঠন করে এবং অত্যধিক শক্তি নির্গত হয় তাকে নিউক্লিয় ফিউশন বলে। এ প্রক্রিয়ায় ১০৮ সেন্টিগ্রেড তাপ উৎপন্ন হয়।1H2+1H2=2He3+0N1+ শক্তি
যে প্রক্রিয়ায় ভারী পরমাণুর নিউক্লিয়াস বিভক্ত হয়ে প্রায় সমান ভরের দুটি নিউক্লিয়াস উৎপন্ন করে এবং একাধিক নিউট্রন ও বিপুল পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন হয় তাকে ফিশন বলে। নিউট্রন দ্বারা আঘাত করে যদি কোন ভারী পরমাণুর নিউক্লিয়াসকে প্রায় সমভরবিশিষ্ট দুটি অংশে বিভক্ত করা যায় এবং প্রচন্ড পারমাণবিক শক্তির উদ্ভব হয়, তাহলে  নিউক্লিয়াসের এ বিভাজনই নিউক্লিয় ফিশন। ফিশন এর মূল কথা হলো নিউক্লিয় বিভাজন। সাধারণত যে সব পরমাণুর পারমাণবিক সংখ্যা ৯২ বা তার অধিক তারা ফিশন বিক্রিয়ায় অংশ নিতে পারে। ১৯৩৪ সালে ইউরোনিয়ামের বিভাজন প্রক্রিয়া নিয়ে বিজ্ঞানী ফার্মি। ফার্মির সূত্র ধরে ১৯৩৮ সালে ফিশন ব
বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবিত একটি আধুনকি ইলেকট্রনিক ঘড়ি হল পরমাণু ঘড়ি। এটি অত্যন্ত নির্ভুল সময় প্রদান করে। ধারণা করা হয় যে, এই ঘড়ির সময় প্রদানে ৩০০০০ বছরের মধ্যে ১ সেকেন্ড হেরফের হবার সম্ভাবনা রয়েছে। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে সিজিয়াম-১৩৩ পরমাণুর কম্পনকাল হিসেবে সেকেন্ড পরিমাপ করা হয়। ১ সেকেন্ড সিজিয়াম-১৩৩ পরমাণু ৯১৯২৬৩১৭৭০টি কম্পন প্রদান করে। পরমাণু ঘড়ি এ কম্পনসংখ্যা পরিমাপের মাধ্যমে ১ সেকেন্ড সময় দেয়।
জন্ম ১৬২৭, মৃত্যু ১৬৯১। আইরিশ রসায়নবিদ রবার্ট বয়েল ছিলেন আধুনিক রসায়নবিদদের অন্যতম। ১৬৬১ সালে তাঁর বিখ্যাত বই,“ÒThe Sceptical Chemist” প্রকাশিত হয়। তিনি এই বইতে বলেন যে, ধারণা যদি সত্যি হয় তবে তা পরীক্ষার সাহায্যে প্রমাণ করা যায়। গ্যাস নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষার সময় তিনি একটি সূত্র আবিষ্কার করেন, যা বয়েলের সূত্র নামে পরিচিত। বয়েলের সূত্রটি হল “স্থির তাপমাত্রায় নির্দিষ্ট ভরের কোনো গ্যাসের আয়তন ঐ গ্যাসের উপর প্রযুক্ত বলের সমানুপাতিক”।
সূয়ের আলোক শক্তিকে কাজে লাগিয়ে যে চুল্লি তৈরি করা হয়েছে তাকে সৌরচুল্লি বলে।সুবিধা : (ক) জ্বালানী খরচ নেই।       (খ) পরিবেশ দূষিত হয় না।অসুবিধা : (ক) বেশি শক্তি পাওয়া যায় না।         (খ) রাতে, মেঘলা দিনে শক্তি পাওয়া যায় না।
নিউক্লিয় বিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে যে স্থানে অনিয়ন্ত্রিত নিউক্লিয় বিক্রিয়া সংঘঠিত হয় সেখানে দীর্ঘদিন কোন ঘাস বা সবুজ উদ্ভিদ জন্মে না। নিউক্লিয় বিক্রিয়ার ফলে নির্গত তেজক্রিয়তা কয়েক শতাব্দীকাল পর্যন্ত মানুষের রোগব্যাধির কারণ হতে পারে। অনিয়ন্ত্রিত পারমাণবিক বিস্ফোরণে সৃষ্ট তেজক্রিয়তার ফলে ঐ স্থানে জন্মগ্রহণকারী শিশুর পঙ্গুত্ব, বিকলাঙ্গতা প্রভৃতি দেখা যায়।

Pages