Science selected articles for BCS, Job and Admission preparation.

We have currently 68 Science reading Materials for your exclusive preparation.
নিউট্রন দ্বারা একটি ভারী পরমাণুর(পারমাণবিক সংখ্যা ৮০ এর উপরে) নিউক্লিয়াসকে আঘাত করলে কয়েকটি নিউট্রনের উপৎপত্তি হয়। এদের গৌণ নিউট্রন বলে। এরা প্রত্যেকে আরও নিউক্লিয়াসকে আঘাত করে এবং আরও নিউট্রন উৎপন্ন করে। এভাবে পরমাণুর ফিশন সংখ্যা দ্রুত হারে বাড়তে থাকে এবং পর্যায়ক্রমে শৃঙ্খলের মত এ প্রক্রিয়া চলতে থাকে। এ ধরনে ফিশন বিক্রিয়াকে শৃঙ্খল বিক্রিয়া বলে।
ক্রমবর্ধমান ফিশনের হারকে নিয়ন্ত্রণের জন্য যে গ্রাফাইট খন্ড দিয়ে পারমাণবিক চুল্লির মজ্জা তৈরি হয় তাকে মন্থরক বলে। মন্থরক নিউট্রনকে ধীরগতি করে। ভারী পানি, গ্রাফাইট প্রভৃতি মন্থরক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
১)    দ্রুতি স্কেলার রাশি। বেগ ভেক্টর রাশি।২)    শুধু মানের পরিবর্তন হলে দ্রুতির পরিবর্তন হয়।শুধু মানের কিংবা শুধু দিকের অথবা উভয়ের পরিবর্তন হলে বেগের পরিবর্তন হয়।৩)    বস্তুর বেগের মানই দ্রতি। নির্দিষ্ট দিকে দ্রতিই বেগ।
 সরণঃপারিপার্শ্বিক সাপেক্ষে নির্দিষ্ট দিকে বস্তুর অবস্থানের পরিবর্তনই সরণ। এর একক হলো মিটার।  বেগসময়ের সাথে কোন বস্তুর সরণের হারই বেগ। বস্তু একই দিকে সমান সময়ে সমান দূরত্ব অতিক্রম করলে সুষমবেগ এবং সমান সময়ে বিভিন্ন রকমের দূরত্ব অতিক্রম করলে অসমবেগ বলে।
নিউটনের তৃতীয় সূত্রের তত্ত্ব অনুসারে রকেট চলে। রকেটে জ্বালানী পুড়িয়ে প্রচুর গ্যাস উৎপন্ন করা হয়। রকেটের পিছনের অংশ থেকে গ্যাস প্রচন্ড বেগে নির্গত হওয়ায় গতির বিপরীত  ক্রিয়ায় রকেটকে বিপরীত দিকে ধাক্কা দেয়। ফলে রকেট প্রচন্ড বেগে সামনের দিকে এগিয়ে যায়।বিমান ও রকেট চালনার মূল  পার্থক্য হল রকেট চলার জন্য বাতাসের প্রয়োজন হয় না কিন্তু বিমান সম্পুর্ণ ভাবে বাতাসনির্ভর।
আলফা রশ্মি :১)    আলফা রশ্মি ধনাত্মক আধানযুক্ত আলফা কণার প্রবাহ।২)    ভর বেশি হওয়ায় এই রশ্মির ভেদন ক্ষমতা কম।৩)    এই রশ্মি চৌম্বক ও তড়িৎ ক্ষেত্র দ্বারা বিচ্যুত হয়।৪)    এটি একটি হিলিয়াম নিউক্লিয়াস।৫)    স্বাভাবিক চাপ ও তাপমাত্রায় কয়েক সেন্টিমিটার বায়ু বা ধাতুর পাতলা শিট দ্বারা এর গতি থমকে দেওয়া হয়।
ভারী মৌলিক পদার্থের পরমাণুর নিউক্লিয়াস (পারমাণবিক সংখ্যা ৮২ বা এর অধিক) হতে স্বতঃস্ফুর্তভাবে আলফা, বিটা ও গামা রশ্মি ও কণা নির্গমন ক্রিয়াকে তেজস্ক্রিয়তা বলে। ১৮৯৬ সালে ফরাসী বিজ্ঞানী হেনরী বেকরেল সর্বপ্রথম তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কার করেন। এ আবিস্কারের জন্য তিনি নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। কয়েকটি তেজস্ক্রিয় মৌল হল থোরিয়াম, রেডিয়াম, ইউরেনিয়াম। ১৮৯৮ সালে মাদাম কুরী ও তার স্বামী পিয়েরে কুরী যৌথভাবে থোরিয়াম আবিষ্কার করেন। তেজস্ক্রিয় পদার্থ হতে তিন ধরনের রশ্মি নির্গত হয়- ১) আলফা রশ্মিঃ এই রশ্মি ধনাত্মক আধানযুক্ত। ২) বিটা রশ্মি : এই রশ্মি ঋণাত্বক আধানযুক্ত। ৩) গামা রশ্মি: এই রশ্মি আধান নিরপেক্ষ।
যে সকল বস্তুর আকর্ষণ ও দিক নির্দেশক ধর্ম আছে, তাদের চুম্বক বলে। চৌম্বকক্ষেত্র সৃষ্টির মাধ্যমে একটি চুম্বক কোন চৌম্বক পদার্থের উপর বল প্রয়োগ করে। চুম্বকের আকর্ষণীয় ও দিক নির্দেশক ধর্মকে এর চুম্বকত্ব বলে। চুম্বকত্ব চুম্বকের একটি ভৌত ধর্ম। চুম্বকের মেরু অঞ্চলে অর্থাৎ দুই মেরুতে আকর্ষণ ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি। পৃথিবী একটি বিরাট চুম্বক। এর কারণে চুম্বক সমসময় উত্তর-দক্ষিণে অবস্থান করে।
আলোর পূর্ণ আভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের দরুন উত্তপ্ত মরু অঞ্চল বা শীতপ্রধান মেরু অঞ্চলে এক ধরনের দৃষ্টিভ্রম ঘটে। এটিই মরীচিকা।
বর্ণালীতে ১০-৯ থেকে ৩.৫×১০-৭ মিটারের তরঙ্গদৈর্ঘ্যের রশ্মিই সাধারণত অতিবেগুনি রশ্মি। এ রশ্মি ত্বকে ভিটামিন ডি তৈরিতে সাহায্য করে, তবে বেশিক্ষণ এ রশ্মিতে থাকলে ক্ষতি হতে পারে, বিশেষ করে চোখের ।
বর্ণালীতে  ১০-১১ মিটারের চেয়ে ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্যওে সকল বিকিরণই গামা রশ্মি। অর্থাৎ সবচেয়ে ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্যরে বিকিরণ হচ্ছে গামা রশ্মি। পারমাণবিক বোমার বিস্ফোরণের ফলে যে তেজস্ক্রিয় রশ্মি উৎপন্ন হয় তার অধিকাংশই গামা রশ্মি। এ রশ্মির প্রভাবে মানুষের দেহ পুড়ে যেতে পারে, অকালে চুল পড়ে যেতে পারে, ক্যানসার, টিউমার হতে পারে, এমনকি মৃত্যুও হতে পারে। এ রশ্মির শক্তি দৃশ্যমান আলোর চেয়ে ৫০০০০ গুণ বেশি।

Pages