Science selected articles for BCS, Job and Admission preparation.

We have currently 68 Science reading Materials for your exclusive preparation.
আলোর বেগ প্রতি সেকেন্ডে ৩×১০৮ মিটার এবং সূর্য হতে পৃথিবীর দূরত্ব ১৫ কোটি কিলোমিটার। সুতারাং, সূর্য হতে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগবে ৫০০ সেকেন্ড বা ৮ মিনিট ২০ সেকেন্ড। আলো শূন্যস্থানে ৩×১০৮  মিটার/সেকেন্ড বেগে চলে। শূন্যস্থানের মধ্যে কোন বস্তুই আলোর চেয়ে বেশি বেগে চলতে পারেনা। মাইলে আলোর গতি ১ লক্ষ ৮৬ হাজার/সেকেন্ড এবং কিলোমিটারে আলোর গতি ৩ লাখ/সেকেন্ড।
ফ্যাদোমিটার যন্ত্র ব্যবহার করে সমুদ্রের গভীরতা মাপ হয়। এটি আলট্রাসনিক তরঙ্গ উৎপন্ন করে যা সমুদ্রের তলদেশ হতে প্রতিফলিত  হয়ে ফিরে আসে এবং জাহাজে রক্ষিত হাইড্রোফোন যন্ত্রে ধরা পড়ে। সমুদ্রের তলদেশে শব্দতরঙ্গের যেতে-আসতে গৃহিত সময় হতে সমুদ্রের গভীরতা পরিমাপ করা হয়। আধুনিক ফ্যাদোমিটারে তরঙ্গ সৃষ্টি, প্রতিধ্বনি গ্রহণ, সময় গণনা প্রভৃতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ডিসপ্লেতে দেখা যায়।
  একটি ভারী আয়তনহীন বস্তুকণাকে ওজনহীন, নমনীয় এবং অপ্রসারণশীল সুতা দিয়ে ঝুলিয়ে দিলে এটি যদি ঘর্ষণ এড়িয়ে স্বাধীনভাবে দুলতে পারে তবে তাকে সরল দোলক বলে। কৌণিক বিস্তার অল্প হলে সরল দোলকের দোলনকাল-
১৬৮৬ খিস্টাব্দে বিখ্যাত বিজ্ঞানী আইজ্যাক নিউটন তাঁর অমর গ্রন্থ ‘ফিলোসোফিয়া ন্যাচারলিস ম্যাথমেটিকা’ তে গতির তিনটি সূত্র প্রদান করেন। এ তিনটিই নিউটনের গতি সূত্র নামে পরিচিত।
একক (1 kg) ভরের দুটি বস্তুকণা (1 মিটার) দূরত্বে অবস্থান করে যে বল দ্বারা পরস্পরকে আকর্ষণ করে তাকে মহাকর্ষীয় ধ্রুবক বলে। এর মান 6.673×10-11Nm2kg-2অর্থাৎ 1 kg ভরের দুটি বস্তুকে 1 মিটার দূরে স্থাপন করলে এরা 6.673×10-11  নিউটন বল দ্বারা পরস্পরকে আকর্ষণ করবে।
মহাবিশ্বের প্রতিটি বস্তুকণা এক অপরকে নিজের দিকে আকর্ষণ করে । এই আকর্ষণ বলের মান বস্তুকণাদ্বয়ের ভরের গুণফলের সমানুপাতিক ও মধ্যবর্তী দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক। এই বল বস্তুদ্বয়ের সংযোজক সরলরেখা বরাবর ক্রিয়া করে।
চাপ নির্ণায়ক যন্ত্রম্যানেমিটার → গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্রব্যারোমিটার → বায়মন্ডলের (আবহাওয়া) চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র গতি নির্ণায়াকওডোমিটার → মোটরগাড়ীর গতি নির্ণায়ক যন্ত্রএনিওমিটার → বাতাসের গতি নির্ণায়ক যন্ত্রট্যাকোমিটর → বিমানের গতি নির্ণায়ক যন্ত্রকার্ডিওগ্রাফ → হৃদপিন্ডের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র
  গাড়ির কার্বুরেটরের কাজ: কার্বুরেটরের প্রধান কাজ হল জ্বালানীর সাথে বাতাসের মিশ্রিণ। কার্বুরেটরে উচ্চচাপে জ্বালানি প্রবাহিত হওয়ার সময় বাষ্পে পরিণত হয়। এই বাষ্প উপযুক্ত পরিমাণ বায়ুর সাথে মিশে একটি বিস্ফোরক দ্রব্যে পরিণত হয় যা ইঞ্জিনকে চালাতে সাহায্য করে। পেট্রোল ইঞ্জিনে কার্বুরেটর থাকে।

Pages