Science selected articles for BCS, Job and Admission preparation.

We have currently 66 Science reading Materials for your exclusive preparation.
পেট্রোল বোমার প্রকৃত নাম ‘মলোটভ ককটেল’। ১৯৩৯ সালে ফিনল্যান্ডের অধিবাসীরা এটি উদ্ভাবন করেন। এর নামকরণ করা হয় তৎকালীন সোভিয়েত পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভাইচেসলেভ মলোটভের নাম অনুসারে।
ভূপৃষ্ঠের সব জায়গা সমান নয়। এ কারণে ভূগর্ভের বায়ুর চাপ ভূত্বকের সকল স্থানে এক রকম হয় না। কোন স্থানে চাপ খুব বেশি হলে সেই জায়গায় গর্ত বা ফাটলের সৃষ্টি হয়। ফলে এই গর্ত বা ফাটলের মধ্য দিয়ে ভূ-গর্ভস্থ বিভিন্ন রকম পদার্থ নির্গত হয়। আর ভূত্বকের দূর্বল অংশের যে ফাটলের মধ্য দিয়ে ভূগর্ভস্থ ধূম,গ্যাস, গলিত শিলা, ধূলি, ভস্ম, বিবিধ তরল ও কঠিন ধাতব পদার্থ নির্গত হয়, একে আগ্নেয়গিরি বলে। যেমন- জাপানের ফুজিয়াম, ইতালির ভিসুভিয়াস ইত্যাদি।
ভূপৃষ্ঠের কোন অল্প পরিসর অঞ্চল হঠাৎ উত্তপ্ত হয়ে উঠলে স্থানীয় বায়ু উষ্ণ, হালকা এবং সম্প্রসারিত হয়ে উপরে ওঠে এবং সেখানে নিশ্চাপ কেন্দ্রের সৃষ্টি হয়।কিন্তু এর চারিদিকে তখন বায়ুর উচ্চচাপ অবস্থা বিরাজ করে। পরবর্তীতে চাপের সমতা রক্ষার্থে চতুর্দিকের শীতল ও উচ্চচাপ বিশিষ্ট এলাকা হতে শীতল এবং ভারি বায়ু প্রবল বেগে কুণ্ডলাকারে ঘুরতে ঘুরতে নিশ্চাপ কেন্দ্রে প্রবেশ করে। নিশ্চাপ কেন্দ্রে প্রবেশ করে এই বায়ু উত্তপ্ত বায়ুর সাথে মিশে উষ্ণ ও হালকা হয়ে ঘুরতে ঘুরতে উপরে উঠতে থাকে বা যে কোন দিকে প্রবাহিত হতে শুরু করে। এরুপ বায়ুই ঘূর্ণিঝড় বা ঘূর্ণিবাত নামে পরিচিত।
১। দুধ টক নয় কিন্তু দই টক কেন? দইতে ল্যাকটিক এসিড উৎপন্ন হয় বলে। ২। অ্যারোমেটিক যৌগের প্রধান উৎস কি? আলকাতরা। ৩। সংকর ধাতু কি? একাধিক বিগলিত ধাতুকে মিশ্রিত করে যে কঠিন পদার্থ পাওয়া যায় তাই সংকর ধাতু। ৪। কোন ধাতু কেরোসিন পাত্রে সঞ্চিত রাখা হয়? সোডিয়াম। ৫। ঢাকাতে জ্বালানির কাজে যে গ্যাস ব্যবহার করা হয় তার নাম কি? মিথেন। ৬। D2O কিসের সংকেত? ভারি পানি। ৭। পলিথিন কিসের পলিমার? ইথিলিনের। ৮। চিকিৎসা ক্ষেত্রে অক্সিজেন কি জন্য ব্যবহৃত হয়? কৃত্রিম শ্বাসকার্যের জন্য। ৯। ভেসলিন কোথা হতে পাওয়া যায়? পেট্রোলিয়াম হতে। ১০। কাঠ হতে কোন এসিড পাওয়া যায়? এসিটিক এসিড। ১১। কোন বিজ্ঞানী অক্সিজেন নামকরণ করেন? ল্যাভয়েশিয়ে। ১২। কোন পানিতে সাবান সহজে ফেনা উৎপন্ন করে? মৃদু পানি। ১৩। গ্লুকোজের অণুতে কি পরিমাণ অক্সিজেন আছে? ৫৩.৪ শতাংশ।
১।  পেট্রোল কি জাতীয় পদার্থ?জৈব এবং তরল পদার্থ। এর নিজস্ব বিশেষ গন্ধ রয়েছে। এটি উদ্বায়ী।২। অম্লরাজ কি?একভাগ ঘন নাইট্রিক এসিড এবং তিনভাগ ঘন হাইড্রোক্লোরিক এসিডের মিশ্রণকে অম্লরাজ বা অ্যাকুয়া রেজিয়া বলে।  ৩। অম্লরাজ কোন কোন ধাতুকে  দ্রবীভূত করতে পারে?স্বর্ণ, রৌপ্য, প্লাটিনাম ইত্যাদি অভিজাত ধাতুকে।
এটি কার্বনের একটি রূপভেদ। গ্রাফাইট ধুসর অস্বচ্ছ, স্ফটিকাকার কঠিন পদার্থ। একে নরম ও পিচ্ছিল বলে মনে হয়। এটি তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবাহী। এতে কার্বনের পরিমাণ ৯৫-৯৬%। কাগজে ঘষলে এর কালো দাগ পড়ে বলে একে পেন্সিলের শীষরূপে ব্যবহার করা হয়। পারমাণবিক চুল্লিতে বিক্রিয়ার গতি মন্থর করার জন্য গ্রাফাইট ব্যবহার করা হয়। গ্রাফাইট নরম, পিচ্ছিল ও বিদ্যুৎ পরিবাহী গ্রাফাইটে কার্বন পরমাণুসমূহ সমতলীয় স্তরাকারে অবস্থিত। প্রতিটি কার্বন পরমাণু অপর তিনটি কার্বন পরমাণুর সাথে বন্ধন সৃষ্টি করে।
১৮৯২ সালে রুশ জীবাণুবিদ আইভানোভসকি তামাক গাছের মোজাইক রোগের কারণ হিসেবে প্র্রথম ভাইরাসের উপস্থিতির কথা উল্লেখ করেন। ভাইরাস একটি ল্যাটিন শব্দ যার অর্থ বিষ। ভাইরাস হল অকোষীয় সূক্ষ অতি আণুবীক্ষণিক জীবাণু: যা মানুষসহ সকল জীবদেহে নানা রকম রোগ সৃষ্টি করে থাকে। ইহা সাধারণত রোগ উৎপাদনকারী জীব হিসেবেই অতি পরিচিত। প্রাণীদেহে প্রবেশ করলে অনূকুল পরিবেশে ভাইরাস প্রাণীর ন্যায় আচরণ করে। এর দেহ নিউক্লিক এসিড ও প্রোটিন সমন্বয়ে গঠিত। এছাড়া কোন কোন ভাইরাসের দেহে লিপিড, কার্বোহাইড্রেট, এনজাইম, ভিটামিনের ন্যায় পদার্থ ইত্যাদি পাওয়া যায়। এদের দেহে নিউক্লিয়াস ও সাইটোপ্লাজম নেই। যে সকল ভাইরাস ব্যাকটেরিয়াকে আক্রমন করতে পারে তাদের ব্যাকটেরিয়ফাজ বলে।
১ ঘন  মিটার (Cubic Metre) = ১ স্টেয়র (Stayor) ১ ঘন মিটার  = ১০০০ লিটার (Litres) ১ লিটার = ১০০০ ঘন সেন্টিমিটার (Cubic Centimetres)          
সাপ যেভাবে শুনতে পায়? সাপের কোন শ্রবণ ইন্দ্রিয় নেই। সাপ শুনতে পায় ত্বকের সাহায্যে। মাটিতে শব্দ বা কম্পন সৃষ্টি হলে সাপের ত্বক তা স্নায়ুর সাহায্যে অনুভব করে। আর এভাবেই সাপ শোনার কাজটি সম্পাদন করে। সাপ কিভাবে চলাফেরা করে? সাপ বুকে ভর দিয়ে চলাচল করে। সাপের বুকের দিকে পাতলা প্লেটের মত অঙ্গ পরপর সাজানো থাকে। প্রতিটি প্লেটের সাথে একজোড়া রিব লাগান থাকে যেটা অনেকটা পায়ের পাতার মত কাজ করে। পেশী সঞ্চালনের সাহায্যে এই প্লেট ও রিবের সাহায্যে সাপ নড়াচড়া ও চলাচল করে।
আর্দ্র বাতাসে অনেকদিন পড়ে থাকলে লোহার জিনিসের উপর বাদামী বর্ণের সহজে অপসারণযোগ্য আবরণ পড়ে এবং লোহা ধীরে ধীরে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। লোহার উপরকার এ বাদামী আবরণকে মরিচা বলে। মরিচা হল পানিযুক্ত ফেরিক অক্সাইড। লোহার মরিচা প্রতিরোধের জন্য প্রধানত বায়ুতে এর জারণ বন্ধ করতে হবে। এজন্য লোহা যাতে বাতাসের অক্সিজেন ও পানির সংস্পর্শে আসতে না পারে সে ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে।লোহার গায়ে রং বা আলকাতরার প্রলেপ দিয়ে, লোহার উপর দস্তা বা টিলের প্রলেপ দিয়ে, লোহার উপর ইলেকট্রোপ্লেটিং-এর মাধ্যমে জিংক, ক্রোমিয়াম, কপার ও নিকেলের আবরণ দিয়ে মরিচা প্রতিরোধ করা যায়।
সাবান হলো উচ্চ জৈব এসিডের সোডিয়াম বা পটাসিয়াম লবণ। এতে সোডিয়াম বা পটাসিয়াম স্টিয়ারেট লবণ থাকে। এই স্টিয়ারেট কাপড়ের ময়লার সাথে বিক্রিয়া করে এবং পিচ্ছিল অধঃক্ষেপ হিসেবে কাপড় থেকে ময়লাকে পৃথক করে ফেলে। সাবানের হাইড্রোকার্বন অংশ চর্বি বা তেলকে পানিতে দ্রবীভূত করে। কাপড়ে সাবান দেয়া হলে সাবানের অণু ভেঙ্গে সোডিয়াম আয়ন ও ফ্যাটি এসিডের আয়ন উৎপন্ন হয়। সোডিয়াম আয়ন তৈলাক্ত ময়লার প্রতি আকৃষ্ট হয়। এ সময় ফ্যাটি এসিডের অণুগুলো তেলের অণু ঘিরে রাখে এবং পানির সাথে বিক্রিয়া না করেই পানির উপর ভেসে ওঠে। এতে কাপড় থেকে তৈলাক্ত ময়লা পরিষ্কার হয়। নড়াচড়া বা ঘষা দিলে ময়লা সহজে ও দ্রুত পরিষ্কার হয়।
সাবান হল উচ্চতর জৈব এসিডের সোডিয়াম/পটাশিয়াম লবণ। অন্যদিকে ডিটারজেন্ট হলো হাইড্রোকার্বনের সালফোনিক এসিডের সোডিয়াম লবণ। সাবান ও ডিটারজেন্ট উভয়ের প্রস্তুতিগত ও কার্যকারিতার ক্ষেত্রে পার্থক্য বিদ্যমান। প্রাকৃতিক পদার্থ চর্বি, তেল প্রভৃতি থেকে সাবান প্রস্তুত করা হয় এবং সিনথেটিক পদার্থ থেকে ডিটারজেন্ট প্রস্তুত করা হয়। খর পানিতে সাবান ফেনা তৈরি করে না, কিন্তু ডিটারজেন্ট উত্তম ফেনা তৈরি করে। তৈলাক্ত ময়লা সাবানের তুলনায় ডিটারজেন্ট ব্যবহারে দ্রুত পরিষ্কার করা যায়।
১৮৯৪ সালে লর্ড রেলেহ্ (জন্ম-১৮৪২, মৃত্যু-১৯১৯) এবং ইউলিয়াম র‌্যামজে (জন্ম-১৮৫২, মৃত্যু-১৯১৬) নিস্ক্রিয় গ্যাস আর্গন আবিষ্কার করেন। ১৮৯৫ সালে র‌্যামজে পৃথিবীতে হিলিয়ামের অস্তিত্ব খুঁজে পান। ১৮৯৮ সালে তিনি ক্রিপ্টন, নিয়ন এবং জেনন আবিষ্কারের চেষ্টা করেন। ১৯০৪ সালে র‌্যামজে রসায়নে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। ১৯১০ সালে তিনি রেডন আবিষ্কার করেন।
১৯০৮ সালে জার্মান রসায়নবিদ ফিট্রজ হেবার (জন্ম-১৮৬৮, মৃত্যু-১৯৩৪) পাশের যন্ত্র ব্যবহার করে প্রথম অ্যামেনিয়া প্রস্তুত করেন এবং এর পাঁচ বছর পর কার্ল বোস(জন্ম-১৮৭৪, মৃত্যু-১৯৪০) অ্যামোনিয়ার শিল্পোৎপাদন পদ্ধতি আবিষ্কার করেন। তিনি উচ্চচাপ  ও তাপমাত্রায় অ্যামোনিয়া প্রস্তুতির রিঅ্যাক্টর তৈরি করেন। বোসও ছিলেন একজন জার্মান রসায়নবিদ। বর্তমানে হেবার-বোস পদ্ধতিতে অ্যামোনিয়ার শিল্পোৎপাদন করা হয়।
যে প্রকিয়ায় একাধিক হালকা নিউক্লিয়াস একত্রিত হয়ে অপেক্ষাকৃত ভারী নিউক্লিয়াস গঠন করে এবং অত্যধিক শক্তি নির্গত হয় তাকে নিউক্লিয় ফিউশন বলে। এ প্রক্রিয়ায় ১০৮ সেন্টিগ্রেড তাপ উৎপন্ন হয়।1H2+1H2=2He3+0N1+ শক্তি